Discover posts

Explore captivating content and diverse perspectives on our Discover page. Uncover fresh ideas and engage in meaningful conversations

Head Admin changed his profile cover
6 yrs

image

দ্রুত বিয়ে করার সিদ্ধান্ত বুদ্ধিমানের কাজ যে ৬টি কারণে
বিয়ের সঠিক বয়স কোনটি তা নিয়ে অনেক মতবিরোধ রয়েছে। অনেকেই বলবেন বিয়ে এবং সম্পর্ক আসলে কি তা বুঝে তবেই বিয়ের সিদ্ধান্ত গ্রহন করা উচিত। আর এই সাথে অর্থনৈতিক অনেক কিছুই জড়িত থাকে বলে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী না হওয়া পর্যন্ত অনেকেই বিয়ের কথা ভাবেন না।
কিন্তু সত্যি বলতে কি, দ্রুত বিয়ে করে ফেলার সিদ্ধান্ত কিন্তু বেশ ভালো বুদ্ধিমানের মতো কাজ। বয়স একটু কম থাকলেই বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলা উচিত, এতে জীবনটা অনেক বেশিই সহজ মনে হবে আপনার কাছে। অনেক ধরণের সমস্যা থেকে অনায়েসেই মুক্ত থাকতে পারবেন।
কীভাবে জানতে চান? চলুন জেনে নেয়া যাক।
১) আপনি যদি বয়স ৩০ পার করে বিয়ে করেন তাহলে স্বাভাবিকভাবেই আপনার বয়সের কারণে আপনার মধ্যে যে গাম্ভীর্য চলে আসবে তার জন্য সম্পর্ক খুব বেশি মধুর ও ঘনিষ্ঠ হবে না। ব্যাপারটি বরং এমন হবে বিয়ে করার কথা তাই বিয়ে করেছি। এ কারণে আগেই বিয়ে করে ফেলা ভালো, যখন আবেগ কাজ করে অনেক।
২) বেশি বয়সে বিয়ে করলে কতোটাই বা সময় পান নিজেদের জন্য স্বামী- স্ত্রী? বছর ঘুরতে না ঘুরতেই সন্তান নেয়ার ঝামেলা ঘাড়ের উপর এসে পড়ে। আর একবার সন্তান হয়ে গেলে দুজনের একান্ত সময় কাটানো আর হয়ে উঠে না। কিন্তু অল্প বয়সেই বিয়ে করে ফেললে সঙ্গীর সাথে অনেকটা সময় পাওয়া যায়। এতে সম্পর্ক অনেক ভালো ও মধুর থাকে।
৩) একজনের চাইতে দুজন ভালো বিষয়টি নিশ্চয়ই না বোঝার কথা নয়। একাই সুখ দুঃখ ভোগ করার চাইতে দুজনে ভাগাভাগি করে নিলে অনেকটা সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। অল্প বয়সেই বিয়ে করলে দুজনের জীবনের সবকিছুই ভাগ করে নেয়া যায় বলে মানসিক চাপটাও কম পড়ে।
৪) সন্তানের জন্য খুব ভালো মাতা- পিতার উদাহরণ হতে পারবেন যদি বিয়ে আগে করে ফেলেন। সত্যি বিষয়টি কেউ মানুন আর নাই মানুন না কেন মানুষের গড় আয়ু কিন্তু কমে এসেছে। আপনি দেরিতে বিয়ে করলে সন্তান মানুষ করার বিষয়টিও পিছিয়ে যাবে এবং আপনার মনমানিসকতাও কিন্তু দিনকে দিন নষ্ট হতে থাকবে।
৫) দুর্ঘটনাবশত বিয়ের সিদ্ধান্ত অনেকের জন্য ভুল হতেই পারে। আজকাল আবার ডিভোর্সের সংখ্যাও বেশি হতে দেখা যাচ্ছে। আগে বিয়ে করার কিন্তু এই দিক থেকেও সুবিধা রয়েছে। যদি অল্প বয়সে বিয়ে হয়ে অল্পতেই ভেঙে যায় তাহলে জীবনটাকে নতুন করে গুছিয়ে নেয়ার দ্বিতীয় সুযোগ পাওয়া যায় যা দেরিতে বিয়ে করলে পাওয়া সম্ভব হয় না।
৬) এগুলো তো গেল সিরিয়াস বিষয়, এখন শুনুন আগে ভাগে বিয়ে করে ফেলার একটু অন্যরকম সুবিধাগুলো। আগে বিয়ে করে ফেললে আপনার কাছে এসে কেউ ‘কেন বিয়ে করছ না’, ‘কবে বিয়ে করবে’, ‘বয়স বেড়ে যাচ্ছে’, ‘কাউকে পছন্দ আগে কি’ ইত্যাদি ধরণের বিরক্তিকর কথা শোনার হাত থেকে মুক্তি পেয়ে যাবেন।
সূত্র: প্রিয় লাইফ

কাজী নজরুল এর বাল্য কালের নাম কি?

Total votes

image

image

image

ভাস্কর্য ইস্যুতে ইসলামের সঠিক ব্যাখ্যার পক্ষে নিজের অবস্থান পরিস্কার করার অপরাধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি জসীম উদ্দীন হল শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কবির হোসাইনকে দল থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হয়েছে।
তার মানে ইসলাম একটি ধর্ম ও ছাত্রলীগ ভিন্নধর্ম?

যে স্ট্যাটাসটির কারণে তাকে বহিষ্কার করা হয় তাও একটি পড়ে নিন...

বিদায় হজ্জের ভাষনে রাসূল (সাঃ) বলেছিলেন ঃ
"আমি তোমাদের জন্য ২ টি জিনিস রেখে যাচ্ছি -
১.আল কুরআন
২.আল হাদিস
যদি তোমারা এ দুটোকে আঁকড়ে ধর,তবে তোমরা পথভ্রষ্ট হবে না "

অথচ আজ আমরা এ দুটার আশেপাশে পাশেও নেই , সুরা ফাতিহা পড়তেই ৩২টা দাঁতের মাঝে মহাযুদ্ধ বেধে যাবার উপক্রম হয়ে যায় ,শুক্রবার ছাড়া মসজিদের আশেপাশেও যাওয়া হয় না, উত্তরাধিকার সূত্রে মুসলমান হয়েছি,কুরআন হাদিসের দুই অক্ষর জ্ঞানও নাই, অথচ পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মুফতি সাহেব সেজে ফতোয়া দিয়ে বেড়াচ্ছি! হারামকে হালাল বানাচ্ছি আর হালালকে হারাম !!
তাদের যুক্তিগুলো বেশ দারুণ ঃ
#motivation মুসলমান, সে নামাজ পড়ে না, তাই আমি নামাজ না পড়লেও চলবে, তাই না??
#growthmindset দেশে, তমুক দেশে ভাস্কর্য আছে, মূর্তি আছে, সুতরাং মূর্তি বানানো সওয়াবের কাজ !!
#growthmindsetের ঘরে কুরআন নাই, তাই কুরআন পড়া হারাম!
#
#resilience খেতাবপ্রাপ্তদের মধ্যে কোন মুফতি নাই, মাওলানা নাই, হুজুর নাই, তাই এদেশ নিয়ে কথা বলার অধিকার তাদের নাই, তাই না?? তবে ৭ জন বীরশ্রেষ্ঠের ৭ জন ই মুসলমান, বীর উত্তম ৬৮ জনের মধ্যে ৬৭ জন মুসলমান, বীরবিক্রম ১৭৫ জনের মধ্যে কতজন মুসলমান? খবর আছে ? মাত্র ১৭২ জনই মুসলমান ! বীরপ্রতীক ৪২৬ জনের মধ্যে কতজন মুসলমান ?? খোঁজ নিয়ে দেখা দরকার!
আর এরা ইসলামটা কাদের কাছ থেকে শিখছে??

কুরআনে আল্লাহ বলেছেন ঃ
"যদি স্বয়ং মুহাম্মাদ (সাঃ) আমার নামে তার কথা রচনা করে চালাত,তবে তার দক্ষিণ হস্ত চেপে ধরতাম, আর কেটে ফেলতাম তার গ্রীবা! তোমাদের কেউ তাকে রক্ষা করতে পারতো না " (সূরাহ হাক্কাহ)

কুরআনের একটা আয়াতও যদি কেউ বিকৃত করে তার পরিনতি কি হতে পারে, কল্পনা করা যায় ?

মামুনুল হক যদি কুরআনের ভুল ব্যাখ্যা করে,তার কন্ঠনালী কেটে দাও, যদি কুরআন ভাস্কর্যের বিরুদ্ধে কথা বলে, আল্লাহ এটাকে হারাম করে, তবে কোন বাপের ব্যাটা এটাকে হালাল করার সাহস রাখে ??
কুরআনের বিরোধিতা যেই করবে তার বিরুদ্ধে দাঁড়াত ১ সেকেন্ডও অপেক্ষা করবে না ঈমানদাররা! হোক সে মামুনুল হক, মুজিব, জিয়া, ! হোক সে আওয়ামী, বিএনপি, বামাতি বা জামাতি!
ইসলামের প্রতিনিধিত্ব রহিমুদ্দ,সলিমুদ্দি, কলীমুদ্দিরা করে না, স্বয়ং আল্লাহর রাসূল করেন!
ইসলাম শিখতে হলে কুরআন হাদিসের জ্ঞান অর্জন করতে হবে, মনগড়া যুক্তি খাটবে না!

একটা কথা মাথায় রাখবেন,
আল্লাহর কোন আইন যদি আপনি না পালন করতে পারেন, সেটা অন্য কথা! তবে যদি তার কোন আইনের বিরোধিতা করা তো দূরের কথা, অস্বীকারও যদি করেন, আর নিজেকে যতই ঈমানদার দাবি করেন না কেন, মনে রাখবেন,আপনি খাঁটি মুসলমান না, পাক্কা মুনাফিক! আপনার বিরুদ্ধে লড়াই করাও খাঁটি মুসলমানের জন্য ফরজ!

-------------------------------
কবির হোসেন
যুগ্ম সাধারন সম্পাদক, জসীমউদ্দিন হল শাখা ছাত্রলীগ

image

আসসালামু আলাইকুম

image

আসসালামু আলাইকুম

image